তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও ফজিলত

image
Description


———————————————————
ইশার নামাজ আদায় করার পর থেকে তাহাজ্জুদের
ওয়াক্ত শুরু হয় এবং সুবহে সাদিক পর্যন্ত তা বাকি
থাকে। তবে শেষ রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া
উত্তম।


রাকাআত সংখ্যা
————————
তাহাজ্জুদের নামাজ ২ থেকে ১২ রাকাআত (এর
চেয়ে বেশী পড়া যাবে) তবে রাসূল (স.)
অধিকাংশ সময় ৮ রাকাআত আদায় করতেন। (সহীহ
বুখারী- ১০৭৩)


আদায় করার নিয়ম
—————————-
দুই দুই রাকাআত করে সাধারণ নফল নামাজের ন্যায় আদায় করবে। তবে উভয় রাকাতেই সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলাতে হবে।


তাহাজ্জুদের ফজিলত
——————————-
আল্লাহর খাঁটি বান্দাগনের পরিচয় হচ্ছে তারা তাহাজ্জুদ পড়ে
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
মহান আল্লাহ বলেন,আর রহমানের বান্দা তো তারাই যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং অজ্ঞ লোকেরা যখন তাদেরকে সম্বোধন করে তখন তারা বলে সালাম। আর যারা তাদের রবের জন্য সিজদারত ও দন্ডায়মান হয়ে রাত্রি যাপন করে ( তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে)। আর যারা বলে, হে আমাদের রব, তুমি আমাদের থেকে
জাহান্নামের আযাব ফিরিয়ে নাও। নিশ্চয়ই এর আযাব হলো অবিচ্ছিন্ন।
(সূরা আল ফুরক্বান, ৬৩-৬৫)


মাকামে মাহমুদে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
মহান আল্লাহ বলেন, হে নবী! আপনি রাত্রের কিছু
অংশে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করুন। এটা আপনার
জন্য নফল (অতিরিক্ত)। হয়ত আপনার প্রভূ এ কারণে
আপনাকে মাকামে মাহমুদে পৌঁছে দিবেন।
(সূরা বনী ইসরাঈল-৭৯)
যদি কেউ মহান আল্লাহর অলী (খাছ বান্দা) হতে চায়
তার জন্য তাহাজ্জুদের বিকল্প নেই। তাহাজ্জুদের
নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে দুচোখের পানি
ছেড়ে কান্নাকাটি করলে আল্লাহ তার দোয়া
অবশ্যই কবুল করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.